সহজে Sentence চেনার উপায় (অর্থানুসারে)
হ্যাঁ-বাচক বাক্য
(Affirmative Sentence) কী?
সহজ কথায়, যে বাক্য দিয়ে আমরা কোনো কিছু
আছে, হয়, করে, বা ঘটছে—এমনটা বলি, অর্থাৎ যা কোনো কিছুকে স্বীকার
করে বা হ্যাঁ সূচক তথ্য দেয়, তাকেই হ্যাঁ-বাচক বাক্য বা Affirmative
Sentence বলে। এই বাক্যগুলো সাধারণত কোনো কাজ বা অবস্থা ঘটেছে বা ঘটে
তা বোঝায়, সেখানে কোনো 'না' বা 'নেই' থাকে না।
মনে রাখার সহজ উপায়:
- এটা
কোনো প্রশ্ন করে না। (?)
- এটা
কোনো আদেশ বা অনুরোধ করে না। (যেমন: 'এসো',
'যাও')
- এটা
কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝায় না। (যেমন: 'তুমি
সুখী হও')
- এটা
কোনো বিস্ময় বা আবেগ বোঝায় না। (যেমন: 'আহ্!',
'কী সুন্দর!')
- এবং
সবচেয়ে বড় কথা: এই বাক্যে 'না', 'নয়', 'নেই', 'নাটি', 'ডোন্ট', 'ডাজন্ট',
'ডিডন্ট', 'নেভার' (never), 'নো' (no) এমন কোনো শব্দ থাকে না।
হ্যাঁ-বাচক বাক্য চেনার
নিয়ম :
1. সরাসরি
তথ্য দেয়: এটা কোনো কাজ বা অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি
একটা তথ্য দেয়। যেমন: 'সে খেলছে', 'ফুলটা লাল'।
2. 'হ্যাঁ'
বাচক অর্থ: বাক্যটা পড়ে মনে হবে এটা কোনো কিছুকে
'হ্যাঁ' বলছে, 'না' বলছে না।
3. 'না'
শব্দ থাকে না: এই বাক্যগুলোতে 'না', 'নয়', 'নেই' বা
ইংরেজিতে 'not', 'no', 'never' এমন কোনো নেতিবাচক শব্দ থাকে না।
4. সাধারণত
সাবজেক্ট দিয়ে শুরু হয়: বেশিরভাগ হ্যাঁ-বাচক বাক্যই কাজের
কর্তা (Subject) দিয়ে শুরু হয়।
5. পূর্ণচ্ছেদ
(.) দিয়ে শেষ হয়: এই বাক্যগুলো সাধারণত একটা ছোট্ট দাঁড়ি
বা ফুল স্টপ (.) দিয়ে শেষ হয়।
নেগেটিভ বাক্য
(Negative Sentence) কী?
সহজ কথায়, যে বাক্য দিয়ে আমরা কোনো কিছু
না, নয়, নেই, ঘটেনি, হয়নি, বা করেনি—এমনটা বলি, অর্থাৎ যা কোনো কিছুকে অস্বীকার
করে বা না সূচক তথ্য দেয়, তাকেই নেগেটিভ বাক্য বা Negative
Sentence বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
নেগেটিভ বাক্য মানেই হলো, তাতে 'না' বা 'না-বাচক' কোনো শব্দ থাকবেই।
নেগেটিভ বাক্য চেনার
নিয়ম (পয়েন্ট বাই পয়েন্ট):
1. 'না'
শব্দ থাকবেই: এটা হলো নেগেটিভ বাক্য চেনার সবচেয়ে
সহজ এবং প্রধান উপায়। বাক্যের মধ্যে 'না', 'নয়', 'নেই', 'নয়তো' অথবা ইংরেজিতে not,
no, never, nothing, nobody, no one, neither, nor, hardly, scarcely, rarely, seldom—এ ধরনের কোনো নেতিবাচক শব্দ থাকবেই।
2. কাজের
বিপরীত অবস্থা বোঝায়: এটি কোনো কাজ বা অবস্থা সম্পর্কে 'না'
বোঝায়। যেমন: 'সে খেলছে না', 'ফুলটা লাল নয়'।
3. সাধারণত
সাহায্যকারী ক্রিয়ার (Auxiliary Verb) পরে 'not' বসে:
বেশিরভাগ নেগেটিভ বাক্যে do/does/did, am/is/are/was/were, have/has/had, will/would,
can/could, may/might, must, should - এই ধরনের সাহায্যকারী ক্রিয়ার ঠিক পরেই not
বসে।
o
উদাহরণ:
§ He
does not play. (সে খেলে না।)
§ She
is not reading. (সে পড়ছে না।)
§ They
have not come. (তারা আসেনি।)
4. কখনো
সরাসরি 'no' বা 'never' দিয়ে: কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি
no (কোনো না) বা never (কখনোই না) শব্দ ব্যবহার করে বাক্যটিকে নেগেটিভ করা হয়।
o
উদাহরণ:
§ I
have no money. (আমার কোনো টাকা নেই।)
§ He
never tells a lie. (সে কখনোই মিথ্যা বলে না।)
5. পূর্ণচ্ছেদ
(.) দিয়ে শেষ হয়: হ্যাঁ-বাচক বাক্যের মতোই, নেগেটিভ বাক্যগুলোও
সাধারণত একটি ছোট্ট দাঁড়ি বা ফুল স্টপ (.) দিয়ে শেষ হয়। (তবে, নেগেটিভ প্রশ্নবোধক
বাক্য (?) বা নেগেটিভ বিস্ময়সূচক বাক্য (!) থাকলে ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সাধারণ নেগেটিভ
বাক্য ফুল স্টপ দিয়েই শেষ হয়)।
ইন্টারোগেটিভ
বাক্য (Interrogative Sentence) কী?
সহজ কথায়, যে বাক্য দিয়ে আমরা কোনো কিছু
জানতে চাই, বা প্রশ্ন করি, তাকেই প্রশ্নবোধক বাক্য বা Interrogative
Sentence বলে। যখন আমাদের মনে কোনো জিজ্ঞাসা থাকে এবং আমরা সেটা অন্য কাউকে জিজ্ঞেস
করতে চাই, তখন আমরা এই ধরনের বাক্য ব্যবহার করি।
মনে রাখার সহজ উপায়:
প্রশ্নবোধক বাক্য মানেই হলো, এর শেষে একটা প্রশ্ন চিহ্ন (?) থাকবে।
প্রশ্নবোধক বাক্য চেনার
নিয়ম :
1. প্রশ্ন
চিহ্ন (?) দিয়ে শেষ হয়: এটা হলো প্রশ্নবোধক বাক্য চেনার
সবচেয়ে সহজ এবং প্রধান উপায়। বাক্যের একদম শেষে সবসময় একটি প্রশ্ন চিহ্ন (?) থাকবে।
2. সাহায্যকারী
ক্রিয়া (Auxiliary Verb) দিয়ে শুরু হয়: অনেক সময় বাক্যগুলো
do/does/did, am/is/are/was/were, have/has/had, will/would, can/could, may/might,
must, should - এই ধরনের সাহায্যকারী ক্রিয়া দিয়ে শুরু হয়।
o
উদাহরণ:
§ Do
you like apples? (তুমি কি আপেল পছন্দ করো?)
§ Is
she reading a book? (সে কি একটি বই পড়ছে?)
§ Will
they come tomorrow? (তারা কি কাল আসবে?)
3. Wh-word
দিয়ে শুরু হয়: কিছু প্রশ্নবোধক বাক্য What (কী), Where
(কোথায়), When (কখন), Why (কেন), Who (কে/কারা), Whom (কাকে), Whose (কার), Which
(কোনটি), How (কীভাবে) - এই ধরনের শব্দ (এগুলোকে Wh-words বলে) দিয়ে শুরু হয়।
o
উদাহরণ:
§ What
is your name? (তোমার নাম কি?)
§ Where
do you live? (তুমি কোথায় থাকো?)
§ How
are you? (তুমি কেমন আছো?)
4. কোনো
তথ্য জানতে চাওয়া হয়: বাক্যটা পড়ে মনে হবে যে এর মাধ্যমে
কোনো তথ্য চাওয়া হচ্ছে, কোনো কিছু জানানো হচ্ছে না, বা কোনো আদেশ দেওয়া হচ্ছে না।
5. কণ্ঠস্বর
উপরের দিকে যায় (কথা বলার সময়): যখন আমরা প্রশ্ন করি,
তখন কথার শেষের দিকে আমাদের কণ্ঠস্বর সাধারণত একটু উঁচু হয়ে যায়।
ইম্পারেটিভ বাক্য (Imperative Sentence) কী?
সহজ কথায়, যে বাক্য দিয়ে
আমরা অন্য কাউকে কোনো কাজ করতে বলি, যেমন - আদেশ করি, উপদেশ দেই,
অনুরোধ করি, বা কোনো প্রস্তাব দেই, তাকেই অনুজ্ঞাসূচক বাক্য
বা Imperative Sentence বলে। এই বাক্যগুলো সাধারণত কোনো কাজ শুরু করতে বা
বন্ধ করতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার সহজ উপায়: এই বাক্যগুলো এমনভাবে বলা হয় যেন
আপনি অন্য কাউকে বলছেন 'তুমি এই কাজটি করো!' কিন্তু 'তুমি' কথাটা প্রায় সময়ই বলা
হয় না,
ইম্পারেটিভ বাক্য চেনার নিয়ম
:
1. কাজের শব্দ (Verb) দিয়ে শুরু হয়: বেশিরভাগ ইম্পারেটিভ বাক্য সরাসরি একটি
কাজের শব্দ (Verb) দিয়ে শুরু হয়। Subject (কর্তা) 'You' (তুমি/তোমরা) উহ্য থাকে,
অর্থাৎ বলা হয় না, কিন্তু বোঝায় যে কাজটি 'তুমি' বা 'তোমরা' করবে।
o
উদাহরণ:
§ Go there. (সেখানে যাও।) - (এখানে
'You' উহ্য আছে, অর্থাৎ 'You go there.')
§ Sit down. (বসো।) - (এখানে 'You' উহ্য আছে,
অর্থাৎ 'You sit down.')
2. আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়: বাক্যটির অর্থ পড়লে বা শুনলে বোঝা যাবে
যে, এটি কোনো আদেশ (Order), উপদেশ (Advice), অনুরোধ (Request) বা প্রস্তাব
(Suggestion/Proposal) দিচ্ছে।
3. সাধারণত 'Please' বা 'Kindly' থাকলে অনুরোধ
বোঝায়: যদি বাক্যের
শুরুতে বা শেষে 'Please' (দয়া করে) অথবা 'Kindly' (সদয়ভাবে) থাকে, তবে সেটি অনুরোধ।
o
উদাহরণ:
§ Please open the door. (দয়া করে দরজাটা খোলো।)
§ Kindly help me. (সদয়ভাবে আমাকে সাহায্য করুন।)
4. 'Don't' বা 'Do not' দিয়ে শুরু হলে নিষেধ
বা না-বাচক আদেশ বোঝায়: যদি কোনো কাজ করতে নিষেধ করা হয়, তাহলে বাক্যটি সাধারণত 'Don't' বা 'Do
not' দিয়ে শুরু হয়।
o
উদাহরণ:
§ Don't touch that. (ওটা ধরো না।)
§ Do not make noise. (গোলমাল করো না।)
5. 'Let's' বা 'Let us' দিয়ে শুরু হলে প্রস্তাব
বোঝায়: যদি কোনো কাজ
একসাথে করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়, তাহলে বাক্যটি 'Let's' বা 'Let us' দিয়ে শুরু
হয়।
o
উদাহরণ:
§ Let's play football. (চলো ফুটবল খেলি।)
§ Let us go home. (চলো বাড়ি যাই।)
6. পূর্ণচ্ছেদ (.) বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন
(!) দিয়ে শেষ হয়:
বেশিরভাগ ইম্পারেটিভ বাক্য একটি ছোট্ট দাঁড়ি বা ফুল স্টপ (.) দিয়ে শেষ হয়। তবে,
যদি আদেশ বা নির্দেশটি খুব জোর দিয়ে বলা হয়, তবে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা
যেতে পারে।
o
উদাহরণ:
§ Close the door. (দরজাটা বন্ধ করো।)
§ Stop! (থামো!)
অপটেটিভ বাক্য চেনার নিয়ম :
1. সাধারণত 'May' দিয়ে শুরু হয়: বেশিরভাগ অপটেটিভ বাক্য 'May' (মে)
শব্দ দিয়ে শুরু হয়। 'May' এখানে অনুমতি চাওয়া নয়, বরং 'যেন' বা 'হউক' এমন অর্থ
বোঝায়।
o
উদাহরণ:
§ May you be happy! (তুমি সুখী হও!)
§ May Allah bless you! (আল্লাহ তোমার
মঙ্গল করুন!)
2. 'May' উহ্য থাকতে পারে: কখনো কখনো 'May' শব্দটি বাক্যে
ব্যবহার করা হয় না, কিন্তু বাক্যটির অর্থ পড়লে বা শুনলে বোঝা যায় যে এখানে একটি
ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হচ্ছে।
o
উদাহরণ:
§ Long live our President! (আমাদের
প্রেসিডেন্ট দীর্ঘজীবী হোন!) - (এখানে 'May' উহ্য আছে, অর্থাৎ 'May our President
live long!')
§ God save the King! (ঈশ্বর রাজার
রক্ষা করুন!) - (এখানে 'May' উহ্য আছে, অর্থাৎ 'May God save the King!')
3. ইচ্ছা, প্রার্থনা, আশীর্বাদ বা
শুভকামনা প্রকাশ করে:
বাক্যটির মূল উদ্দেশ্যই থাকে অন্য কারো জন্য ভালো কিছু চাওয়া বা কোনো মঙ্গল কামনা
করা।
4. সাধারণত পূর্ণচ্ছেদ (.) বা
বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) দিয়ে শেষ হয়: অপটেটিভ বাক্যগুলো সাধারণত একটি ছোট্ট দাঁড়ি বা ফুল স্টপ (.)
দিয়ে শেষ হতে পারে। তবে, যদি ইচ্ছা বা প্রার্থনাটি খুব আবেগ দিয়ে বলা হয়, তবে
বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা যেতে পারে। আধুনিক ইংরেজিতে (!) ব্যবহার বেশি
দেখা যায়।
o
উদাহরণ:
§ May you succeed in life. (তুমি
জীবনে সফল হও।)
§ May you live long! (তুমি দীর্ঘজীবী
হও!)
5. কর্তা (Subject) এবং ক্রিয়া (Verb)
এর স্বাভাবিক ক্রম থাকে: 'May' এর পর কর্তা (Subject) আসে এবং তারপর ক্রিয়া (Verb) এর Base Form
বসে। (যেমন: May + Subject + Verb).
এক্সক্লামেটরি
বাক্য (Exclamatory Sentence) কী?
সহজ কথায়, যে বাক্য দিয়ে আমরা হঠাৎ
করে আসা কোনো তীব্র অনুভূতি বা আবেগ প্রকাশ করি, যেমন - আনন্দ,
দুঃখ, আশ্চর্য, ভয়, রাগ, বা উৎসাহ, তাকেই বিস্ময়সূচক
বাক্য বা Exclamatory Sentence বলে। এই বাক্যগুলো আমাদের মনের ভেতরের
গভীর অনুভূতিগুলোকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
এক্সক্লামেটরি বাক্য মানেই হলো, এর শেষে একটা লম্বা দাঁড়ি আর তার নিচে ছোট্ট একটা
ফোঁটা (বিস্ময়সূচক চিহ্ন: !) থাকবে। এটাই এর সবচেয়ে বড় চিহ্ন।
বিস্ময়সূচক বাক্য
চেনার নিয়ম :
1. বিস্ময়সূচক
চিহ্ন (!) দিয়ে শেষ হয়: এটা হলো বিস্ময়সূচক বাক্য
চেনার সবচেয়ে সহজ এবং প্রধান উপায়। বাক্যের একদম শেষে সবসময় একটি বিস্ময়সূচক
চিহ্ন (!) থাকবে।
2. তীব্র
আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে: বাক্যটি পড়লে বা শুনলে বোঝা
যাবে যে, এটি বক্তার কোনো সাধারণ কথা নয়, বরং তার মনের ভেতরের তীব্র আনন্দ, দুঃখ,
বিস্ময়, ভয় বা অন্য কোনো জোরালো অনুভূতি প্রকাশ করছে।
3. সাধারণত
'What' বা 'How' দিয়ে শুরু হয় (তবে প্রশ্ন বোঝায় না):
অনেক সময় বাক্যগুলো What (কী) বা How (কীভাবে/কতটা) শব্দ দিয়ে শুরু হয়। কিন্তু
প্রশ্নবোধক বাক্যের মতো এখানে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় না, বরং একটি গুণ বা
অবস্থার তীব্রতা বোঝানো হয়।
o
উদাহরণ:
§ What
a beautiful flower! (কী সুন্দর ফুল!) - (এখানে ফুলটা কতটা সুন্দর, তা নিয়ে
বিস্ময় প্রকাশ করা হচ্ছে, প্রশ্ন নয়।)
§ How
fast he runs! (সে কত দ্রুত দৌড়ায়!) - (এখানে তার দৌড়ানোর গতির তীব্রতা নিয়ে
বিস্ময় প্রকাশ করা হচ্ছে।)
4. ইন্টারজেকশন
(Interjection) বা আবেগসূচক শব্দ দিয়ে শুরু হতে পারে:
কিছু ক্ষেত্রে বাক্যগুলো আবেগসূচক শব্দ (Interjection) যেমন Hurrah! (আনন্দ), Alas!
(দুঃখ), Oh!, Wow!, Bravo!, Oops!, Fie! ইত্যাদি দিয়ে শুরু হয়।
o
উদাহরণ:
§ Hurrah!
We won the game! (হুররে! আমরা খেলাটা জিতেছি!)
§ Alas!
He is no more. (আহা! সে আর নেই।)
5. কণ্ঠস্বর
আবেগপূর্ণ হয় (কথা বলার সময়): যখন আমরা
বিস্ময়সূচক বাক্য বলি, তখন আমাদের কণ্ঠস্বরে সেই আবেগ বা অনুভূতি ফুটে ওঠে। হয়তো
আনন্দ হলে কণ্ঠস্বর উঁচু হয়, দুঃখ হলে নিচু হয়।
6. গঠন
সরল হতে পারে, কিন্তু চিহ্ন গুরুত্বপূর্ণ: কখনো কখনো
বাক্যটি গঠনের দিক থেকে দেখতে সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!)
থাকায় এবং তাতে আবেগ থাকায় তা এক্সক্লামেটরি হয়ে যায়।
o
উদাহরণ:
§ I
won! (আমি জিতেছি!) - (খুব আনন্দ প্রকাশ পাচ্ছে।)
Comments
Post a Comment